Skip to content
Home » 200 বার সুরা ইখলাস পড়ার ফজিলত | রমজান মাসে সূরা ইখলাসের ফজিলত

200 বার সুরা ইখলাস পড়ার ফজিলত | রমজান মাসে সূরা ইখলাসের ফজিলত

200 বার সুরা ইখলাস পড়ার ফজিলত | রমজান মাসে সূরা ইখলাসের ফজিলত

সূরা ইখলাস এই সূরাটি কুরআন মাজীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূরা । কারণ এই সূরার মাধ্যমে মহান আল্লাহতালা তার পরিচয় সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন । অন্যান্য বছরের তুলনায় এ সূরার গুরুত্ব এবং ফজিলত অনেক বেশি । সূরা ইখলাস তিনবার পাঠ করিলে একবার  কুরআন খতমের সওয়াব পাওয়া যায় । তাই আমরা এই সূরাটি বেশি বেশি পাঠ করবো । রমজান মাসে সূরা ইখলাসের ফজিলত আরো বেড়ে যায় ।

পবিত্র কুরআনে  মোট 114 টি সূরা রয়েছে এরমধ্যে 112 নম্বর সূরা কি হলো সূরা ইখলাস ।এ সূরাটি কুরআন শরীফের একটি ছোট সূরা  কিন্তু এর গুরুত্ব অনেক বেশি ।সূরা ইখলাসের আয়াত সংখ্যা 4 এবং রুকুর সংখ্যা 1  টি ।  ইখলাস শব্দের অর্থ হচ্ছে আনুগত্য, বিশ্বাস, উপাসনা, একনিষ্ঠতা,অনুভূতি  ।যেহেতু এই সূরাটির ফজিলত অনেক বেশি সেহেতু এই ছড়াটি বেশি বেশি তেলাওয়াত  করবেন  ।শিরক থেকে বের হয়ে এক আল্লাহর দিকে অনুগত্য করবেন  ।

যে ব্যক্তি এই সূরাটি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করবে সে শিরক থেকে মুক্তি লাভ করবে  ।কারণ এই সূরাটি তে আল্লাহ তায়ালার পরিচয় ফুটিয়ে তোলা হয়  ।আল্লাহ এক এবং অদ্বিতীয় এই সূরার মাধ্যমে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়  ।তাইতো এই সূরার গুরুত্ব অপরিসীম  ।আমরা আজকে সূরা ইখলাসের বিস্তারিত আলোচনা করব সূরা ইখলাসের সম্পূর্ণ ফজিলত জানতে আমাদের সম্পূর্ণ  পোষ্ট টি পড়ুন  ।

200 বার সুরা ইখলাস পড়ার ফজিলত

আপনি কি সূরা ইখলাস 200 বার পড়ার ফজিলত সম্পর্কে জানার জন্য এসেছেন । তাহলে আপনারা এখনই আমাদের পোস্টের মাধ্যমে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন । 200 বার সূরা ইখলাস পড়ার ফজিলত সম্পর্কে হাদিসে বলা নেই ।আপনি এ সূরার ফজিলত পেতে গেলে 200 বারের বেশি পড়তে পারেন বা  কম  ও পড়তে পারেন ।নির্দিষ্টভাবে 200 বার সুরা ইখলাস পড়তেই হবে এরকম কোন হাদিস পাওয়া যায়নি ।তাই আপনি যত খুশি ততোবারই এই সূরাটি তেলাওয়াত করতে পারবেন ।আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূরা ইখলাস সম্পর্কে বলেছেন, সেই মহান সত্তার শপথ, যার হাতে আমার প্রাণ আছে, নিঃসন্দেহে এটি কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমতুল্য। অপর এক বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীগণকে বললেন, তোমরা কি এক রাতে এক তৃতীয়াংশ কুরআন পড়তে অপারগ?

প্রস্তাবটি তাদের পক্ষে ভারী মনে হল। তাই তারা বলে উঠলেন, হে আল্লাহর রাসূল! এ কাজ আমাদের মধ্যে কে করতে পারবে? অর্থাৎ কেউ পারবে না। তিনি বললেন, ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ, আল্লাহুস স্বামাদ (সূরা ইখলাস) কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমতুল। অর্থাৎ এই সূরা পড়লে এক তৃতীয়াংশ কুরআন পড়ার সমান নেকী অর্জিত হয়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সূরা ইখলাস ১০ বার পাঠ করবে, তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানানো হবে। (রেফারেন্সঃ রিয়াযুস স্বা-লিহীন, হাদিস নম্বরঃ ১০১৭ সহীহুল বুখারী ৫০১৫, ৫০১৪, ৫৫৪৩, ৭৩৭৫, নাসায়ী ৯৯৫, আবূ দাউদ ১৪৬১, আহমাদ ১০৬৬৯, সহীহ আল-জামি আস-সগীর ৬৪৭২)।

সূরা ইখলাসের শিক্ষা

সূরা ইখলাস থেকে আমরা শিখতে পারি যে আল্লাহতালার পরিচয় সম্পর্কে ।সূরা ইখলাস  এ আল্লাহ তায়ালার সম্পূর্ণ পরিচয় ফুটিয়ে তোলা হয় ।এ সূরায় বলা হয় আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়, তার কোন সরিক  সমকক্ষ নেই ।তিনি কাউকে জন্ম দেননি কারো কাছ থেকে জন্ম নেন নি ।এভাবেই আল্লাহ তায়ালা তাঁর পরিচয় তার হাবিবকে দিতে বলেছেন ।তাইতো এই সূরার মর্মার্থ অনেক বেশি ।এই ছোড়া আমাদেরকে বেশি বেশি পাঠ করতে হবে ।আল্লাহ সম্পর্কে আমাদের আরো বেশি বেশি জানতে হবে ।তাহলেই আমরা শিরক থেকে মুক্তি পেতে পারবো ।এ সুরার শানে নুজুল প্রসঙ্গে হজরত আনাস (রা.) বর্ণনা করেন, খাইবারের কয়েকজন ইহুদি একদা মহানবী (সা.)-এর দরবারে এসে বলে, হে আবুল কাসেম! আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাদের নূর থেকে, আদমকে মাটি থেকে এবং পৃথিবীকে পানির ফেনা থেকে সৃষ্টি করেছেন। এখন আপনার রব সম্পর্কে আমাদের জানান, তিনি কোন বস্তুর থেকে সৃষ্ট? রাসুলুল্লাহ (সা.) কোনো জবাব দেননি। অতঃপর হজরত জিবরাঈল (আ.) সুরা ইখলাস নিয়ে আসেন।

হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, একদা নাজরানের সাতজন খ্রিস্টান পাদ্রি মহানবী (সা.)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলে, আমাদের বলুন, আপনার রব কেমন? তিনি কিসের তৈরি? মহানবী (সা.) বলেন, আমার রব কোনো জিনিসের তৈরি নয়। তিনি সব বস্তু থেকে আলাদা। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা উল্লিখিত সুরা নাজিল করেন।

বিষয়বস্তু : সুরা ইখলাসের চারটি আয়াতে চারটি বিষয়ের আলোচনা করা হয়েছে। প্রথম আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহ একক ও অনন্য। দ্বিতীয় আয়াতে বলা হয়েছে, তিনি অমুখাপেক্ষী। তৃতীয় আয়াতে বলা হয়েছে, জন্মের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই এবং চতুর্থ আয়াতে বলা হয়েছে, তিনি অতুলনীয়। চারটি আয়াতের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো, তাওহিদ বা আল্লাহর একত্ববাদ।

৩ বার সুরা ইখলাস পড়ার ফজিলত

সূরা ইখলাস তিনবার পাঠ করিলে কি হয় বা এর ফজিলত সম্পর্কে এখন আমি আপনাদের জানাব ।যেহেতু সামনে রমজান মাস কিন্তু এই সূরাটি বেশি বেশি তেলাওয়াত করবেন ।কুরআন শরীফের এটি একটি ছোট সূরা হাওয়ায় ছোট বড় সকলেই খুব তাড়াতাড়ি ছড়াটি মুখস্ত করতে পারে ।ভাই আশা করছি এই সূরাটি সবারই জানা রয়েছে  তাই এই সূরাটির ফজিলত জানার পর আপনারা এ সূরাটি বেশি বেশি তেলাওয়াত করবেন ।

সহিহ হাদিসে আছে, সুরা ইখলাস তিনবার পাঠ করলে এক খতম কোরআন তিলাওয়াতের সমপরিমাণ সওয়াব পাওয়া যায়।

হজরত আয়েশা (রা.) থেকে এক রেওয়ায়েতে উল্লেখ আছে, এক যুদ্ধে রাসুলুল্লাহ (সা.) এক ব্যক্তিকে আমির বা নেতা নিযুক্ত করে দেন, তিনি নামাজে ইমামতিকালে সুরা ফাতিহা ও অন্য সুরা শেষে প্রতি রাকাতেই সুরা ইখলাস পাঠ করতেন

রমজান মাসে সূরা ইখলাসের ফজিলত

রমজান মাসে সূরা ইখলাসের ফজিলত অনেক বেশি ।যেহেতু সূরা ইখলাস তিনবার পাঠ করিলে একবার কোরআন খতমের সওয়াব পাওয়া যায় সেহেতু রমজান মাসে সূরা ইখলাস তিনবার পাঠ করিলে 70 বার কোরআন শরীফ খতমে সওয়াব পাওয়া যায় ।তাই আমরা সূরা ইখলাস রমজান মাসে বেশি বেশি তেলাওয়াত করব ।আল্লাহতায়ালা যেন আমাদের সবাইকে নেক আমল করার তৌফিক দান করেন ।

১০ বার সুরা ইখলাস পড়লে কি হয়

যেহেতু সূরা ইখলাসের ফজিলত অনেক বেশি ।সেহেতু আমরা বেশি বেশি আমরা সূরা ইখলাস তেলাওয়াত  করব ।এখন আমি আপনাদের সূরা ইখলাস 10 বার পাঠ করলে কি হয় এর ফজিলত সম্পর্কে জানাবো ।আর আপনারা যারা এই সূরার ফজিলত সম্পর্কে জানেন তারা অন্যদের জানাবেন তারাও যেন এই সূরার ফজিলত সম্পর্কে জানতে পারে ।এবং বেশি বেশি এই সূরাটি তেলাওয়াত করতে পারেন ।

হজরত আলী (রাঃ) বলেন, রাসুল সাঃ বলেছেন যে ব্যক্তি ফজর নামাজের পর ১০ বার সম্পুর্ণ সুরা ইখলাস পাঠ করবে -সেই দিন যাবতীয় কষ্ট,বিপদ, ও শয়তানী চক্রান্ত থেকে নিরাপদে থাকবে ৷
(ইবনে আসাকির,কানজুল উম্মাল,দুররে মানসুর)

রমজান মাসে ১০ বার পাঠ করলে,৭০০ বার পাঠ করার নেকি পাবে ৷
প্রায় ২৩৩ বার কুরান খতমের নেকি পাওয়া যাবে – সুবহানাল্লাহ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *