Skip to content
Home » সুরা মুলক বাংলায় উচ্চারন/অনুবাদ/ফজিলত ২০২১ । (surah mulk bangla translet 2021)

সুরা মুলক বাংলায় উচ্চারন/অনুবাদ/ফজিলত ২০২১ । (surah mulk bangla translet 2021)

সুরা মূলক

সুরা মূলক (SurahAl-Mulk) কুরআন শরীফের 67 তম সূরা । আয়াত সংখ্যা 30 ।  আসুন জেনে নেয়া যাক সূরা মূলক এর বাংলা অনুবাদ- উচ্চারণ- অর্থ এবং ফজিলত সম্পর্কে । সুরা মুলক পবিত্র কুরআন শরীফের 67 তম সূরা।  শব্দের অর্থ হলো সার্বভৌম ক্ষমতা সূরাটির আয়াত সংখ্যা 30 টি।  সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয় তাই এটি মাক্কী সূরার কোন শ্রেনীভুক্ত । এই সূরাটি প্রথমে আল্লাহ সর্বময় ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে এবং মানব সৃষ্টির উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে।  এ সূরাটি এতে জোর দিয়ে বলা হয়েছে কোন ব্যক্তি নিজেরিচ্চা অন্যের উপর চাপিয়ে দিতে পারবে না বরং কেবল তাকে গাইড করতে পারে এবং একটি  উদাহরণ স্থাপন করতে পারে । 

সুরা মুলক বাংলায় উচ্চারন/অনুবাদ/ফজিলত ২০২১ । (surah mulk bangla translet 2021)

=> আর পড়ুন

  <> বাংলা উচ্চারন<>

১। তাবা- রাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুল্কু ওয়া হুওয়া “আলা- কুল্লি শাইয়িন কাদীর ।

২। আল্লাযী খালাকাল মাওতা ওয়াল হায়া  – তা লিইয়াবলুওয়াকুম আইয়ুকুম আহছানু ‘ আমালাও ওয়া হুওয়াল ‘আঝীঝুল গাফুর । 

৩।আল্লাযী খালাকা ছাব’আ ছামা-ওয়া-তিন তিবা-কান মা-তারা -ফী খালকির রাহমা-নি মিন তাফা – উত ফারজি’ইল বাসারা হাল তারা – মিন ফুতূর । 

৪ । ছু ম্মার জি ইলবাসারা কাররাতাইনি ইয়ানকালিব ইলাইকাল বাসারু খা- ছিআও ওয়া হুওয়া হাছীর ।

৫। ওয়া লাকাদ ঝাইয়ান্নাছ ছামাআদ্দুনইয়া- বিসামা-  বীহা ওয়াজা’আলনা-হা-রুজূমাল লিশশায়া-তীনি ওয়া আ’তাদনা-লাহুম ‘আযা-বাছছা’ঈর ।

৬। ওয়া লিল্লযীনা কাফারুবিরাব্বিহিম “আযা-বুজাহান্নামা ওয়াবি’ছাল  মাসীর । 

৭। ইযাউল্কূফীহা – ছামি’উ লাহা- শাহীকাও ওয়াহীয়া তাফূর ।

৮। তাকা- দুতামাইয়াঝুমিনাল গাইছি কুল্লামাউলকিয়া ফীহা- ফাওজুন ছাআল্লাহুম খাঝানাতুহাআলাম ইয়া’তিকুম নাযীর ।

৯। কা- লূবালা-কাদ জাআনা- নাযীরুন ফাকাযযাবনা- ওয়া কুলনা মানাঝঝালাল্লা- হু মিন শাইয়িন ইন আন্তুম ইল্লা- ফী দালা- লিন কাবীর ।

১০ । ওয়া কা- লূলাও কুন্না- নাছমা’উ আও না’কিলুমা- কুন্না- ফীআসহা – বিছছা’ঈর ।

১১।ফা’তারাফূবিযামবিহিম ফাছুহক্বললিয়াআসহা – বিছ ছা’ঈর ।

১২ । ইন্নাল্লাযীনা ইয়াখশাওনা রাব্বাহুম বিলগাইবি লাহুম মাগফিরাতুও ওয়া আজরুন কাবীর ।

১৩ । ওয়া আছিররূকাওলাকুম আবিজহারুবিহী ইন্নাহূ’আলীমুম বিযা- তিসসুদূর ।

১৪। আলা- ইয়া’লামুমান খালাকা ওয়া হুওয়াল্লাতীফুল খাবীব ।

১৫। হুওয়াল্লাযী জ’আলা লাকুমুল আরদা যালূলান ফাশূফী মানা-কিবিহা-ওয়া কুলূমির রিঝকিহী ওয়া ইলাইহিন নুশুর ।

১৬। আ আমিন্তুম মান ফিছছামাই  আই ইয়াখছিফা বিকুমুল আরদা ফাইযা হিয়া তামূর ।

১৭। আম আমিন্তুম মান ফিছছামাই আই ইউরছিলা ‘আলাইকুম হা- সিবান ফাছাতা’লামূনা কাইফা নাযীর ।

১৮। ওয়া লাকাদ কাযযাবাল্লাযীনা মিন কাবলিহিম ফাকাইফা কা- না নাকীর ।

১৯। আওয়ালাম ইয়ারাও ইলাত্তইরি ফাওকাহুম সাফফা- তিও ওয়াইয়াকবিদন। মাইউমছিকুহুন্না ইল্লাররাহমা- নু ইন্নাহূবিকুল্লি শাইয়্যিন বাসীর ।

২০। আম্মান হা- যাল্লাযী হুওয়া  জুনদুল্লাকুম ইয়ানসুরুকুম মিন দূ নিররাহমা – নি ইনিল কাফিরুনা  ইল্লা – ফী গুরুর।

২১ । আম্মান হা -যাল্লাযী ইয়ারঝকুকুম ইন আমছকা রিঝকাহূ বাল্লাজ্জুফী ‘উতুওবিওয়া নুফূর ।

২২। আফামাই ইয়ামশী মুকিব্বান ‘আলা- ওয়াজহিহী আহদা আম্মাই ইয়ামশী ছাবি ইয়ান ‘আলা-সিরা- তিমমুছতাকীম।

২৩। কুল হুওয়াল্লাযীাআনশাআকুম ওয়া জা’ আলা লাকুমুছছাম’আ ওয়াল আবসা-রা ওয়াল আফইদাতা কালীলাম মা- তাশকারুন ।

২৪ । কুল হুওয়াল্লাযী যারাআকুম ফিল আরদিওয়া ইলাইহি তুহশারুন । 

২৫ । ওয়া ইয়াকূলূন মাতা-হা-যাল ওয়া’দুইন কুন্তুম সা- দিকীন 

২৬ । কুন ইন্নামাল ‘ইলমু ‘ইনদাল্লা- হি ওয়া ইন্নামাআনা আনযীরুম মুবীন ।

২৭ ফালাম্মা – রাআওহু ঝুলফাতান ছীআত ঊজুহুল্লাযীনা কাফারুওয়া কালী হা-যাল্লাযী কুন্তুম বিহী তাদ্দা’ঊন ।

২৮। কুল হুওয়াররাহমা-নুআ-মান্না-বিহী ওয়া’আলাইহি তাওয়াক্কালনা- ফাছাতা’লামূনা মান হুওয়া ফীদালা-লিম মুবীন 

৩০। কুল আরাআইতুন ইন আসবাহা মাউকুম গাওরান ফামাই ইয়া’তীকুম বিমাইম মা’ঈম ।

          সুরা মুলক বাংলায় উচ্চারন/অনুবাদ/ফজিলত ২০২১ । (surah mulk bangla translet 2021)

<>   সূরা মূলকের অর্থ  <>

১। মহামহিমান্বিত তিনি যাঁর হাতে রয়েছে সর্বভৌম কর্তৃত্ব,আর তিনি সব -কিছুর উপরে শক্তিমান ।

২। যিনি সৃষ্টি করেছেন মরণ ও জীবন, যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন কে তোমাদের মধ্যে কর্মে শ্রেষ্ঠ? তিনি পরাক্রমশালী ক্ষমাময়

৩। যিনি  সাত আকাশ সৃষ্টি করেছেন সুবিন্যস্তভাবে । তুমি পরম করুণাময়ের সৃষ্টিতে কোন অসামঞ্জস্য দেখতে পাবে না । তারপর তুমি দৃষ্টি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নাও তুমি কি কোনো ফাটল দেখতে পাচ্ছ ?

৪ । অতঃপর তুমি বার বার তাকিয়ে দেখ- তোমার দৃষ্টি ব্যর্থ ও পরিশ্রান্ত হয়ে তোমার দিকে ফিরে আসবে ।

৫। আমি সর্বনিম্ন আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুসজ্জত করেছি । সে গুলোকে শয়তানদের জন্য ক্ষেপণাস্ত্রবৎ করেছি এবং প্রস্তুত করে রেখেছি তাদের জন্য জলন্ত অগ্নি শাস্তি  ।

৬ । যারা তাদের পালনকর্তাকে অস্বীকার করেছে তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি ।  সেটা কতইনা নিকৃষ্ট স্থান ।

৭ । যখন তারা তথায় নিক্ষিপ্ত হবে তখন তার উৎক্ষিপ্ত গর্জন শুনতে পাবে । 

৮ । ক্রোধে জাহান্নাম যেন ফেটে পরবে।  যখনই তাতে কোন সম্প্রদায় নিক্ষিপ্ত হবে তখন তাদেরকে তার সিপাহীরা জিজ্ঞেস করবে। তোমাদের কাছে কি কোন সতর্ককারী আগমন করেনি ।

৯ । তারা বলবে হ্যাঁ আমাদের কাছে  সতর্ককারী আগমন করেছিল ।  অতঃপর আমরা মিথ্যারোপ করেছিলাম এবং বলেছিলাম আল্লাহ তাআলা কোনকিছু নাযিল করেননি।  তোমরা মহা বিভ্রান্তিতে দিতে পড়ে রয়েছ । 

১০ । তারা আরো বলবে যদি আমরা শুনতাম অথবা বুদ্ধি কাটাতাম তবে আমরা জাহান্নামীদের মধ্যে থাকতাম না ।

১১ । অতঃপর তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করবে ।  জাহান্নামীরা দূর হোক 

১২ ।নিশ্চয় যারা তাদের পালনকর্তাকে না দেখে ভয় করে, তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার ।

১৩ । তোমরা তোমাদের কথা গোপনে বল অথবা প্রকাশ্যে বল তিনি তো অন্তরে বিষয়াদি সম্পর্কে সম্যক অবগত । 

১৪ । যিনি সৃষ্টি করেছেন তিনি কি করে জানবেন না তিনি সূকনষজ্ঞানী,সম্যক জ্ঞাত  । 

১৫। তিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে  সুগম করেছে অতএব তোমরা তাঁর কাঁধে বিচরণ কর এবং তার দেয়া রিযিক আহার করো।  তাঁরই কাছে পুনরুজ্জীবন হবে  । 

১৬ । তোমরা কি ভাবনামুক্ত হয়ে গেছ যে আকাশে যিনি আছেন তিনি তোমাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দেবেন তা কাঁপতে থাকবে ।

১৭ । না তোমরা নিশ্চিন্ত হয়ে গেছে যে আকাশে যিনি আছেন তিনি তোমাদের উপর প্রস্তর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন অতঃপর তোমরা জানতে পারবে কেমন ছিল আমার সতর্কবাণী । 

১৮ । তাদের পূর্ববর্তীরা মিথ্যারোপ করেছিল অতঃপর কত কঠোর হয়েছিল আমার অস্বীকৃতি ।

১৯। তারা কি লক্ষ্য করে না, তাদের মাথার উপর উড়ন্ত পক্ষীকুলের প্রতি শাখা বিস্তারকারী ও পাখা সংকোচনকারী ? রহমান- আল্লাহ- ই তাদের স্থির রাখেন । তিনি সর্ব বিষয়ে দেখেন ।

২০ । রহমান আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত তোমাদের কোন সৈন্য আছে কি যে তোমাদেরকে সাহায্য করবে ? কাফেরেরা বিভ্রান্তিতেই পতিত আছে ।

২১ । তিনি যদি রিযিক বন্ধ করে দেন। তবে কি আছে যে তোমাদেরকে রিযিক দিবে বরং তারা অবাধ্য বিমুখতা ডুবে রয়েছে । 

২২ । যে ব্যক্তি উপুড় হয়ে মুখে ভর দিয়ে চলে, সে-ই কি সৎ পথে চলে, না সে ব্যক্তি যে সোজা হয়ে সরল পথে চলে? । 

২৩ । বলুন, তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি কর্্‌ চক্ষু ও অন্তর । তোমরা অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো ।

২৪ । বলুন, তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে বিস্তৃত করেছেন এবং তাঁরই কাছে তোমরা সমবেত হবে 

২৫। কাফেরেরা বলে এই প্রতিশ্রুতি কবে হবে যদি তোমরা সত্যবাদী হও ? ।

২৬ । বলুন, এর জ্ঞান আল্লাহ তা’আলার কাছেই আছে আমি তো কেবল প্রকাশ্য সতর্ককারী  ।

২৭ । যখন তারা সেই প্রতিশ্রুতিকে আসন্ন দেখাবে তখন কাফেরদের মুখমন্ডল মলিন হয়ে পড়বে এবং বলা হবেঃ এটাই তো তোমরা চাইতে । 

২৮ । বলুন, তোমরা কি ভেবে দেখেছো- যদি আল্লাহতালা আমাকেও আমার সংগীতের কে ধ্বংস করে এবং আমাদের প্রতি দয়া করেন তবে কাফেরদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে রক্ষা করবে । 

২৯ । বলুন, তিনি পরম করুণাময় আমরা তাতে বিশ্বাস রাখি এবং তাঁরই উপর ভরসা করি সত্বরই তোমরা জানতে পারবে কে  প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতায় আছে ।

৩০ । বলুন,তোমরা কি ভেবে দেখেছ  যদি তোমাদের পানি ভূগর্ভের গভীরে চলে যায় তবে কে তোমাদের সরবরাহ করবে পানির  স্রোত ধারা ? ।

<>সূরা মূলক এর ফজিলত <>

  • তিরমিজি শরীফের মধ্যে একটি হাদিসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি দৈনিক সূরা মূলক পড়বে  সে কবরের আজাব ও কিয়ামতের মুসিবত হতে রক্ষা পাবে এবং জান্নাতবাসি হবে ।

 

  • অন্য এক হাদীসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি নিয়মিত সুরা মূলক  পাঠ করবে তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা সূরা মূলক করবে কেয়ামত পর্যন্ত ।

 

  • আবু দাউদ (হাদিস নং ১৪০০) বর্ণিত আছে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম কাল কেয়ামতের মাঠে এক ব্যক্তির উপর জাহান্না্ম ওয়াজিব হয়ে গিয়েছিল ।  তখন সুরা মুলক আল্লাহকে বলবে অমুক ব্যক্তিকে আপনি ক্ষমা করে দিন । আল্লাহ বলবে না । সূরাটি  আবারও বলবে আল্লাহ উমুক ব্যক্তিকে আপনি ক্ষমা করে দিন কারণ সে আমাকে পাঠ করত । আল্লাহু আবারও বলবেন না । এইভাবে সূরাটি আল্লাহর কাছে উমুক ব্যক্তির জন্য ক্ষমা চাইতে থাকবে যতক্ষণ না পর্যন্ত আল্লাহ ব্যক্তিটিকে ক্ষমা না করেন । 

 

  • যে লোক সূরা মূল নিয়তে পাঠ করবে তার গুনাহ মাফ হয়ে যাবে এবং পরকালেও তার জন্য সুপারিশ করবে 
  • আনাস ইবনে মালিক (আঃ) থেকে বর্ণিত হযরত মুহাম্মদ (সঃ)বলেছেন, কুরআনে একটি সূরা রয়েছে যা কেবল ৩০ টি আয়াত এটি জান্নাতে না নেওয়া পর্যন্ত তার সাথে থাকবে ।

 

  • হযরত মুহাম্মদ( সঃ) বলেছেন সূরা আল মূলকঃ কবরের আজাব থেকে রক্ষাকারী ।
  • আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস বর্ণনা করেছেন যে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম বলেছেন আমার আকাংখা ভালোবাসা যে সুরাতুল মূল প্রত্যেক মুসলমানের অন্তরে থাকুক ।

 

  • তিরমিজি হাদীসে বর্ণিত আছে ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, মুহাম্মদ (সঃ) এর একজন সাহাবী না বুঝে  একটি কবরের উপরে তার তাবু স্থাপন করেছিলেন । এবং সে খবর থেকে শুনতে পেল তাবা-রাকাল্লাযি বিয়াদিহিল মুলকু  শেষ পর্যন্ত পাঠ করেছে । তিনি গিয়ে মোহাম্মদ (সঃ) ঘটনাটি বললেন  । এবং জানতে চাইলেন কে এটা পাঠ করেছিল ? উত্তরে মুহাম্মদ (সঃ) “এটা হল প্রতিরোধকারী আল্লাহতালার আজাব থেকে রক্ষাকারি , ।
  • ইবনে উমর  (রঃ) বলেছিলেন যে একবার মোহাম্মদ (সঃ) সুরা মুলকের  দ্বিতিয় আয়াত পার্ট করেছিলেন ( তিনিই মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন  যাতে তিনি তোমাদের পরীক্ষা করতে পারে যে তোমাদের মধ্যে কে কর্মের উত্তম) এবং যখন তিনি কাজের মধ্যে উত্তম কথাটি পৌঁছেছিলেন তখন তিনি থামিয়ে ব্যাখ্যা করলেন । কর্মী আরো ভালো সেই ব্যক্তি হলো যে ব্যক্তি আল্লাহ যা নিষেধ করেছে সে বিষয়ে থেকে সর্বাধিক পরিহার করে এবং সর্বদা তার অনুগত্য করতে প্রস্তুত থাকেন । 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *