Skip to content
Home » কন্যা সন্তান নিয়ে ইসলামিক স্ট্যাটাস

কন্যা সন্তান নিয়ে ইসলামিক স্ট্যাটাস

কন্যা সন্তান নিয়ে ইসলামিক স্ট্যাটাস

ছেলে অথবা মেয়ে হোক না কেন দুটি সন্তানই বাবা-মার কাছে প্রিয় । কিন্তু সমাজে অনেক ধরনের মানুষ বসবাস করে থাকে তাদের চিন্তা ভাবনা একেক রকম ।  কেউ ছেলে সন্তান হলে মন খারাপ করে আবার কেউ  মেয়ে সন্তান হলে মন খারাপ করে  । তবে আমাদের উচিত ছেলে অথবা মেয়ে দুটি সন্তানের এই যত্ন নেওয়া । কারণ এরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ তারা একদিন সারা পৃথিবীর হাল ধরবে । তাই তাদের মন-মানসিকতা আরো ভালো করতে হবে । আজকে আমরা আমদের পোস্টের মাধ্যমে আলোচনা করব কন্যা সন্তান নিয়ে  ।

মহান আল্লাহতালা কন্যা সন্তানের মর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছে । তিনি এক একটি কন্যা সন্তানকে একটি জান্নাত এর সঙ্গে তুলনা করেছেন। আমরা যদি একটি কন্যা সন্তানকে ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গিতে লালন পালন করতে পারি তাহলে পরকালে আমরা তার বিনিময় একটি জান্নাত  পাব । আর যদি দুটি মেয়েকে ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গিতে লালন-পালন করতে পারি তাহলে আমরা দুটি জান্নাত লাভ করতে পারব । তাই একটি কন্যা সন্তানকে আমরা ভালোভাবে লালন পালন করার চেষ্টা করব এবং তার প্রতি আরো বেশি যত্নশীল হব । কারণ পৃথিবীতে কর্মসংস্থান আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে একটি নেয়ামত স্বরূপ ।

তাই আজকে আমি আমার পোষ্টের মাধ্যমে কন্যা সন্তান নিয়ে স্ট্যাটাস তুলে ধরব । অনেকেই আছেন যারা কন্যা সন্তান নিয়ে অনলাইনে স্ট্যাটাস খোঁজাখুঁজি করে থাকেন তাদের কথা চিন্তা করে আজকে আমি আমার পোষ্টের মাধ্যমে  কন্যা সন্তান নিয়ে ইসলামিক স্ট্যাটাস গুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরব । তাহলে আসুন জেনে নেয়া যাক কোন সন্তান নিয়ে ইসলামিক স্ট্যাটাস গুলো ।

কন্যা সন্তান নিয়ে ইসলামিক স্ট্যাটাস

আপনি কি কন্যা সন্তান নিয়ে ইসলামিক স্ট্যাটাস খুঁজার জন্য এসেছেন তাহলে আমাদের আজকের এই পোষ্ট টি শুধু আপনার জন্যই । কারণ এখন আমি আমার পোষ্টের মাধ্যমে কন্যা সন্তান নিয়ে ইসলামিক স্ট্যাটাস তুলে ধরব । আশা করছি আমাদের দেশটা জুড়ে আপনাদের পছন্দ হবে । আমাদের এই পোস্টটি থেকে আপনারা উপকৃত হতে পারবেন ।  তাহলে আসুন জেনে নেয়া যাক কন্যা সন্তান নিয়ে ইসলামিক স্ট্যাটাস গুলি ।

  1. একটি মায়ের ধন তার মেয়ে।
  2. আর আপনি ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত করে ও লজ্জাস্থান হেফাজত করে এবং যা প্রকাশ পায় তা ছাড়া তাদের (অন্যান্য) আভরণ প্রকাশ না করে, তাদের গ্রীবা ও বক্ষদেশ যেন কাপড় (চাদর বা ওড়না) দ্বারা আবৃত করে।
    – আল- কুরআন
  3. যে নারী স্বগৃহ, স্বামীগৃহ, মায়ের বাড়ি ছাড়া অন্য কোনো স্থানে পর্দা রাখে না সে তার ও তার রবের মধ্যকার পর্দা ও লজ্জাশীলতাকে বিদীর্ণ করে দেয়।
    – হযরত মুহম্মদ (স)
  4. যখন তাদের কাউকে কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেওয়া হয়, তখন তার মুখ অন্ধকার হয়ে যায় এবং অসহ্য মনস্তাপে ক্লিষ্ট হতে থাকে।তাকে শোনানো সুসংবাদের দুঃখে সে লোকদের কাছ থেকে মুখ লুকিয়ে থাকে। সে ভাবে, অপমান সহ্য করে তাকে থাকতে দেবে নাকি তাকে মাটির নিচে পুতে ফেলবে। শুনে রাখো, তাদের ফয়সালা খুবই নিকৃষ্ট। ’ (সুরা আন-নাহল, আয়াত : ৫৮-৫৯)
  5. হজরত আয়শা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, ‘রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘ওই স্ত্রী স্বামীর জন্য অধিক বরকতময়, যার দেন-মোহরের পরিমান কম হয় এবং যার প্রথম সন্তান হয় মেয়ে।’
  6. রাসূলুল্লাহ (সা.) আরো ইরশাদ করেন, ‘যার গৃহে কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহন করল, অতঃপর সে তাকে (কন্যাকে) কষ্টও দেয়নি, তার ওপর অসন্তুষ্ট ও হয়নি এবং পুত্র সন্তানকে প্রাধান্য দেয়নি, তাহলে ওই কন্যার কারণে মহান আল্লাহ তায়ালা তাকে বেহেশতে প্রবেশ করাবেন।’ (মুসনাদে আহমদ, ১:২২৩)
  7. রাসূলুল্লাহ (সা.) আরো বলেছেন, ‘যে ব্যক্তির তিনটি কন্যা সন্তান হবে, এবং সে তাদেরকে এলেম-কালাম, আদব-কায়দা শিক্ষা দিবে, এবং যত্নের সঙ্গে প্রতিপালন করবে ও তাদের ওপর অনুগ্রহ করবে! সে ব্যক্তির ওপর অবশ্যই জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে।’
  8. যে ব্যক্তির তিনটি কন্যা সন্তান বা তিনজন বোন আছে অথবা দু’জন কন্যা সন্তান বা বোন আছে। সে তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেছে এবং তাদের ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করেছে। তার জন্য রয়েছে জান্নাত।’ (জামে তিরমিযী, হাদীস ১৯১৬)
  9. যে ব্যক্তিকে কন্যা সন্তান লালন-পালনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এবং সে ধৈর্যের সঙ্গে তা সম্পাদন করেছে সেই কন্যা সন্তান তার জন্য জাহান্নাম থেকে আড়াল হবে। (জামে তিরমিযী, হাদীস ১৯১৩)
  10. যে ব্যক্তি দুইজন কন্যা সন্তানকে লালনপালন ও দেখাশুনা করল (বিয়ের সময় হলে ভালো পাত্রের কাছে বিবাহ দিল) সে এবং আমি জান্নাতে এরূপ একসঙ্গে প্রবেশ করব যেরূপ এ দুটি আঙুল। তিনি নিজের দুই আঙুল মিলিয়ে দেখালেন। (জামে তিরমিযী, হাদীস ১৯১৪)
  11. উপরে আপনাদের জন্য কিছু জনপ্রিয় মেয়ে নিয়ে ইসলামিক উক্তি শেয়ার করলাম। সামনে অন্য কোনো বিষয়ে উক্তি শেয়ার করবো। সে পর্যন্ত ভালো থাকুন। ধন্যবাদ
  12. মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে কন্যা সন্তান মাতা-পিতার জন্য একটি বিশেষ শ্রেষ্ট নেয়ামত।
  13. মা এবং কন্যাগুলি একসাথে গণনা করা একটি শক্তিশালী শক্তি। – মেলিয়া কিটন-ডিগবি
  14. আমরা, মায়েরা, আমাদের মেয়েদের দীর্ঘায়ু বিমানের সাহায্যে আমাদের মাতৃগর্ভর সাফল্য চিহ্নিত করতে শিখছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *